কিম জংয়ের স্ত্রীর কাছে জীবন যেন বিভীষিকা, নিজের ইচ্ছায় কিছুই করতে পারেন না
2012 সাল থেকে, একজন মহিলাকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের পাশে দেখা গেছে। তখনই জানা গেল তিনি রি সোল-জু। কিম জং-উনের স্ত্রী। অর্থাৎ উত্তর কোরিয়ার ফার্স্ট লেডি।
| khabor24ghonta |
বিয়ের আগে তিনি ছিলেন একজন সঙ্গীতশিল্পী, তিন সন্তানের মা। কিন্তু কিম জং-কে বিয়ের পর থেকেই সব কিছু পাল্টে যায়। কড়া শাসনের ঘেরাটোপে দিন কাটাতে হয় তাঁকে।
| khabor24ghonta |
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
এখন পৃথিবীর মতো চাঁদেও বাস করা যাবে! চাঁদেও খোঁজ মিলেছে অক্সিজেনের। ]
২০০৯ সালে কিম জং উনকে জোর করে বিয়ে করেন তিনি! উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জং ইলের (কিম জং উনের বাবা) নির্দেশেই কিম রিকে বিয়ে করেন। জানা যায়, ২০০৬ সালে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। তখনই তিনি ছেলেটিকে এমন নির্দেশ দেন। উত্তর কোরিয়ার মতো দেশে শাসককে অমান্য করার সাহস কারও নেই।
সে দেশে বিয়ের পর স্বামীর পদবী নেওয়ার রেওয়াজ আছে। কিন্তু রির জীবনে ঘটেছিল অন্য কিছু। তার নামও বদলাতে হয়েছে। স্বামী কিম জং উনের নির্দেশেই তাকে এটা করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তার জন্মস্থান, বয়স, শৈশব, বাড়ি—সব তথ্য লুকিয়ে আছে।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
রি সোল-জু কোন সাধারণ মেয়ে নয়। তিনি একটি শিক্ষিত এবং ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা একজন কলেজ শিক্ষক এবং মা হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রধান। উত্তর কোরিয়ার রাজপরিবারের সঙ্গে পরিচিত হন তার এক কাকার মাধ্যমে। কাকা সেনাবাহিনীর উপদেষ্টা ছিলেন। বিয়ের পর জীবন অনেক বদলে যায়। এখন তার কিছু করার নেই। তাকে তার পরিবারের সাথে দেখা করতেও দেওয়া হচ্ছে না।
কী পরবেন, কী খাবেন, কীভাবে পোশাক পরবেন তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রি-এর নেই। বিয়ের পর প্রথমবারের মতো আধুনিক পোশাক পরতে দেখা গেছে তাকে। কিন্তু এখন সে সব পরতে পারে না। কি পরবেন তাও ঠিক করেন কিম। এখন জিন্স পরাও নিষিদ্ধ।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
সম্পত্তির প্রতিযোগিতায় মুকেশ আম্বানি কে পিছনে ফেলে এগিয়ে এল এই ব্যাক্তি! ]
চাইলেও জনসম্মুখে আসতে পারবেন না রি। রিকে কখনোই প্রকাশ্যে একা দেখা যায় না। স্বামী কিমের অনুমতি নিয়েই ঘর থেকে বের হতে পারেন তিনি। এমনকি তাও তার স্বামীর সাথেই। তাই যখনই রিকে দেখা যায়, তার স্বামী কিম পাশে থাকেন। এমনকি তার সন্তানদেরও জনসম্মুখে আসতে দেওয়া হয় না।
অন্যান্য দেশের ফার্স্ট লেডিস বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যায়। বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিয়োজিত। রি-এর এমন কিছুর সাথে জড়িত হওয়ার কোন উপায় নেই।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
কিম জং উনের সবুজ সংকেত ছাড়া তিনি ছবি তুলতে পারবেন না। কোথাও যাওয়ার কথা কল্পনাও করতে পারবেন না।
বিয়ের আগে বিদেশে গিয়েছিল রি। তিনি চীনে পড়াশোনা করেছেন এবং প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়াতেও গেছেন। কিন্তু বিয়ের পর সব বন্ধ হয়ে যায়। আপনাকে দেশ ছেড়ে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
বিয়ের পর সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। সেই সময়টা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। সে সময় বাড়ির বাইরে পা রাখতে পারেননি। এ সময় তাকে একেবারেই দেখা যায়নি।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
2009 সালে তাদের বিয়ে হয়। প্রথম সন্তানের জন্ম 2010 সালে। প্রথম সন্তান একটি মেয়ে। দ্বিতীয় সন্তানটিও একটি মেয়ে। তৃতীয় সন্তান একটি ছেলে। তাদের একটি ছেলে না হওয়া পর্যন্ত রিকে সন্তান নিতে বাধ্য করা হয়েছে।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
স্বামীকে ছেড়ে একটি কুকুরকে বিয়ে, তার মতো সুখ আর কেউ দেয়নি ]

0 Comments