ডায়নোসররা কীভাবে হারিয়ে গিয়েছিল? আশ্চর্য এক তথ্য উঠে গবেষণা থেকে! জেনে নিন।
গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে ডাইনোসরের বিলুপ্তি নিয়ে কাজ করছেন। এই রহস্যের সমাধান হলে তৎকালীন পৃথিবীর ভূগোল, বিজ্ঞান ও ইতিহাস জানা সহজ হবে। অবশেষে উন্মোচিত হলো সাড়ে সাত কোটি বছরের রহস্যের জট।
এ বিষয়ে অনেকটা আলো ফেলেছেন গবেষকেরা।
তারা বলছেন, ডাইনোসরের বিলুপ্তির রহস্য লুকিয়ে আছে। আর সেই রহস্য রয়েছে মেক্সিকোর এক গহ্বরে।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
গহ্বরটিকে চিকক্সুলুব ক্রেটার বলা হয়। গবেষকরা এই গুহায় মহাজাগতিক ধূলিকণা, ইরিডিয়াম পাওয়া গেছে। এই ইরিডিয়াম ডাইনোসরের জীবাশ্মের সাথেও পাওয়া গেছে। এর মানে এই ইরিডিয়াম ডাইনোসরের সময়েও ছিল।
গবেষকেরা বলছেন, চিকসুলুব ইম্প্যাক্টর হল এক দানব গ্রহাণু (asteroid impact) যা পৃথিবীর উপর এসে পড়েছিল। এর ফলে মেক্সিকান পেনিনসুলায় এক বিশাল গহ্বর তৈরি হয়ে যায়। আসলে পেট্রোলিয়ামের খোঁজ করতে গিয়েই এই গহ্বরটির খোঁজ মেলে। আর তখনই বিজ্ঞানীদের টনক নড়ে। সেখান থেকেই শুরু হয় গবেষণা। মেলে মহাজাগতিক ধুলোও।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
আসলে একদল বিজ্ঞানী মনে করেন, অ্যাস্টেরয়েডরাই আমাদের গ্রহে প্রাণ বহন করে আনে। তারা নানা অণুজীব, বরফ ইত্যাদি বহন করে এনেছিল। ফলে সেই বিজ্ঞানীর দল, এই চিকসুলুবের তথ্যে উল্লসিত হচ্ছেন। তাঁরা দাবি করছেন, এভাবেই ক্রমশ জানা যাবে, ধূমকেতুর মাধ্যমেই নানা রাসায়নিক কণা, নানা প্রয়োজনীয় জীবাণু, সমুদ্র এসেছে পৃথিবীতে।
আসলে এই চিকসুলুব-তথ্য যদি মান্যতা পায়, তবে এটা নিশ্চিত হবে যে, সাড়ে ছকোটি বছর আগে পৃথিবীতে আছড়ে পড়া ধূমকেতুর মাধ্যমেই মারা পড়েছিল তাবত্ ডাইনোসরকুল।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta

0 Comments