পা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী পরামর্শ দিলেন কেয়া শেঠ? জেনে নিন।
অনেকের কাছে গ্রীষ্মের চেয়ে শীতই বেশি পছন্দের। পিকনিক থেকে পিকনিক সব কিছুর জন্য শীতকাল আদর্শ সময়। তবে শীতকালে বেশিরভাগ জিনিসই ভালো, কিন্তু একটা জিনিস সবসময়ই বেশির ভাগ মানুষকে ভাবিয়ে রাখে। সেই জিনিসটা পা বা গোড়ালি ফাটা।
যা শুধু বেদনাদায়কই নয় বেশ নজরকাড়াও বটে। যাইহোক, অনেক ক্ষেত্রে, ফাটা পা সবসময় লক্ষ্য করা যেতে পারে। তবে শীতকালে এর পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। তবে আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগে থাকেন এবং অনেক কিছু করার পরও সমস্যাটি দূর না হয়, তাহলে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন। যা আপনার অনেক উপকারে আসবে।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
হজমের সমস্যা থাকলে অবশ্যই খান আমন্ড! শরীর সুস্থ রাখতে রোজ সকালে তিনটি করে আমন্ড খান। ]
পা ফাটার কারন -
ত্বকের বিভিন্ন কারণে পা ফাটা। সেক্ষেত্রে শীতে কম আর্দ্রতা থেকে শুরু করে ত্বকের মৃত কোষসহ বিভিন্ন রোগের কারণে পা বা গোড়ালি ফ্র্যাকচারের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
পায়ের ফাটা দূর করতে কেয়া শেঠের পরামর্শ -
আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে পা ফাটার সমস্যায় ভুগছেন এবং যদি আপনার পা ফাটার সমস্যা না যায় তবে আপনি কেয়া শেঠের একটি পণ্য ব্যবহার করতে পারেন। কেয়া শেঠের এই পণ্যের নাম 'হিল হিলিং লোশন'। এই লোশনের অনেক উপকারী উপাদান আপনার পায়ের ফাটা এবং ত্বকের রুক্ষতার সমস্যা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি পাবে।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
এই কারণগুলির জন্য বয়স বৃদ্ধির সাথ সাথে পুরুষদের যৌন ইচ্ছা কমে যায় ]
এই পণ্যটিতে অ্যালোভেরা, গ্লিসারিনের মতো উপাদান রয়েছে যা ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে। এগুলি ছাড়াও, এই পণ্যটি উদ্ভিজ্জ তেল, টক দই এবং অপরিহার্য তেল দিয়ে তৈরি করা হয় যা পা ফাটানোর বিরুদ্ধে কার্যকর। তাই পা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দিনে অন্তত দুবার এই পণ্যটি ব্যবহার করা উচিত
পা ফাটার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় -
পায়ের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য প্রতিদিনের ভিত্তিতে করা যেতে পারে এমন অনেকগুলি জিনিস রয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক সে সব বিষয়।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
মাইগ্রেনির নিরাময় করা যেতে পারে অভ্যাস খাওয়ার পরিবর্তে তিন মাসের মধ্যে ]
টক দই - টক দই এর মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ এনজাইম। যা পায়ের ত্বককে নরম করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে আপনি যদি টক দই লাগাতে চান সেক্ষেত্রে প্রথমেই আপনাকে আপনার পা দুটি গরম জলে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। এর পর পায়ের পাতার ফাটা অংশগুলোতে ভালো করে টক দই মাখিয়ে নিন। ওই অবস্থায় মিনিট ১৫-২০ রেখে দিয়ে তা ধুয়ে ফেলুন। এই একই পদ্ধতি টানা বেশ কয়েকদিন ব্যবহার করলে নিজেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বকের পরিবর্তন।
এসেনশিয়েল অয়েল - পা ফাটার সমস্যা দূরীকরনে অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা গেছে। এক্ষেত্রে এসেন্সিয়াল অয়েল মূলত পায়ের ফাটা অংশ গুলি দিয়ে দেহে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। সেই কারণেই এই অয়েল শরীরে পক্ষে বিশেষ করে যে সমস্ত ব্যক্তি র পা ফাটা মারাত্নক আকার ধারন করে তাদের ক্ষেত্রে এই অয়েল খুবই উপকারী ব কার্যকরী।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
দুপুরে ঘুমিয়ে নিজের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছেন নাতো? পুষ্টিবিদের থেকে ঘুমের সময় জেনে নিন। ]
ক্যারট সিড এসেনশিয়াল অয়েল - আপনি যদি আপনার পায়ের ফাটা সরানোর পাশাপাশি পায়ের ত্বক কে মসৃণ রাখতে এবং ত্বক সতেজ রাখতে চান সেক্ষেত্রে ক্যারট সিড এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
বেসিল এসেনশিয়াল অয়েল - বেসিল অয়েল এর মধ্যে মূলত বহু পরিমাণ অ্যান্টি সেপটিক প্রপার্টি লক্ষ করা যায়। আর এই উপাদান মানবদেহে পায়ের ফাটা সারাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা নিয়ে থাকে।
রোজমেরী এসেনশিয়াল অয়েল - পায়ের ত্বক নরম করতে এবং পা ফাটার সমস্যা দূর করতে বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে এই রোজমেরি র ব্যবহার। মূলত এই রোজমেরি র মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমানে অস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি। আর এই জিনিসটিই মানবদেহে ত্বককে সুস্থ ও মোলায়েম রাখতে সাহায্য করে। আর ত্বক মোলায়েম থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই দূর হবে ত্বক ফাটার প্রবনতা।
[ আরও পড়ুন ঃ khabor24ghonta
ডায়বেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে! ফলো করুন এই ডায়েট চার্টটি। ]
এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করার পদ্ধতি - আপনি যদি খুব শীঘ্রই আপনার পায়ের ফাটা দূর করে ত্বককে সুস্থ রাখতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে যেকোন একটি এসেনশিয়াল ওয়েলের সাথে ভেজিটেবল অয়েল ব্যবহার করে তা মাখতে পারেন।
এক্ষেত্রে এসেনশিয়াল ও ভেজিটেবল অয়েলের মিশ্রণের পরিমাণ হবে ২ চামচ এসেনশিয়াল অয়েল এবং তার সাথে ২ চামচ ক্যাস্টর ব সানফ্লাওয়ার অয়েল। তবে আপনার পা ফাটা দূর করতে অবশ্য মনে রাখবেন সর্বপ্রথম টক দই ব্যবহার করুন।
এবং এই এসেনশিয়াল ও ভেজিটেবল তেল ব্যবহার করা উচিত তার পরে। আপনার এই ত্বকের পরিবর্তন আপনি নিজেই লক্ষ্য করতে পারবেন কিছুদিনের মধ্যেই।

0 Comments